জাহাঙ্গীর আলম : মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের স্কুল ছাত্রীকে মারধর করল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের বখাটে ভাতিজা। ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের সেরু দেওয়ানের ছোট মেয়ে নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে, বুধবার বেলা সারে ১১ টায় প্রাইভেট পড়ে নওপাড়া থেকে বাড়ী ফেরার পথে একই গ্রামের ইউপি সাবেক চেয়ারম্যানের ছোট ভাই দোলোয়ারের বখাটে লুচ্চা লম্পট ছেলে দুলাল এলাকার রাস্তার মোড়ে একা পেয়া উৎক্ত করে। এসময় ঐ স্কুল ছাত্রী ও তার বান্দবীরা বাধা দেওয়ায় বদমাশ দুলাল স্কুল ছাত্রীকে মারধর করেন। উক্ত ছাত্রীর ডাক চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন ছুটে আসলে দুলাল পালিয়ে যায়। ঐ অসহায় মেয়েটির মা বিষয়টি জানতে পারলে দুলালের বাবা দেলোয়ারের কাছে বিচার চাইলে দুলাল ক্ষিপ্ত হয়ে কোন প্রকার অভিযোগ বা বিচার চাইলে ইজ্জত হানিসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেয় এ অসহায় পরিবারকে।
সরজমিনে এ প্রতিবেদকে এলাকার বরশিয়ান মুরব্বির আঃ কাদির জানান, দেলোয়ারের এ ছেলে দুলাল বরই বেয়াদব, মাদক সেবি বটে। দুলাল দির্ঘদিন যাবৎ এ মেয়েটিকে স্কুলে যাওয়া-আশার পথে উৎক্ত করে আসছে। ছাত্রী মা জানান, বেশ কয়েক দিন পূর্বে এই দুলাল আমার মেয়েকে খারাপ কথা বলেছে আমার মেয়ে আমাকে বিষয়টি জানালে আমি দুলাল ও তার পরিবাকে বিষয়টি জানাই তার পবিবার দুলালকে বকাঝকা করে। তারই জের ধরে আজকে আমার মেয়ে স্কুলের কাছে প্রাইভেট পরে বাড়ী আসার পথে খারাপ আচরন করে এবং মারধর করে।
দুলালের বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি শুনার সাথে সাথে আমার ছেলে দুলালকে অনেক বকাঝকা করেছি এবং মেরেছিও। ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উভয় অভিভাবকই আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে ইভটিজিংয়ের বিচার আমি কিভাবে করব এটা আইনের বেপার। তাই আমি আইনের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। তাছাড়া দুলাল একজন মাদক সেবি ও বখাটের প্রকৃতির ছেলে আমার জানা মতে। এ বিষয় শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয় কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিব।
0 facebook-blogger-disqus:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন