মেয়েদের সম্মান কখনো কখনো পুরষের চাইতেও বেশি ।
এটা যারা না বুঝবেন তারা হয়ত রাতকানা নয়তো জ্ঞানপাপী !
একটি ভাইরাল ভিডিও নিয়ে অনেকে অনেক কথাই বলেছেন, শেষতক আর সবার মতো লেখক-লেখিকারাও পুলিশের দোষ দিয়েছেন। আমি এই সব লেখিয়েদের আক্বেল নিয়ে অবাক হইনি, কারণ তারা তো এটাই চাচ্ছে যে- দেশে অপরাধ প্রবণতা আরো বেড়ে যাক ।
জনৈক বিতাড়িত লেখিকা ঐ ঘটনা নিয়ে পুলিশকে দায়ী করে বলেছেন যে, “পুলিশ কেন একটি মেয়েকে প্রশ্ন করবে ? মেয়েটি যদি কিছু না বলতে চায় তবে পুলিশের উচিৎ কিছু না বলে কেটে পড়া উচিৎ ছিল“ ! একজন লেখক যদি এতটাই আহাম্মক হয় তবে এদের কাছে জাতি কি আশা করবে ?
অবশ্য এসব লেখিয়েরা প্রায় সময় বিভিন্নভাবে দেশ বিরোধী প্রচারণায় কতটা মুখর তা তাদের লেখায় বুদ্ধিমান মানুষেরা হাতে-হাড়ে টের পায় ।
একটি রাস্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যদি কোন নাগরিককে প্রশ্নই করার অধিকার না থাকে, যদি কাউকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার না থাকে, পুলিশ যদি নাগরিকদের অভিভাবকের ভূমিকা পালন না করতে পারে তবে পুলিশের কাজ কি ?
এরপরও বর্তমানে পুলিশের কিছু সদস্য ভূল করে । আর ভূল করা মানুষেরই স্বভাব । পুলিশ তো মানুষই, তারা তো ভীন গ্রহ থেকে আসেনি ।
সে সকল পুলিশ সদস্য ভূল করে তাদের জন্য প্রয়োজন পুলিশের সংশোধনী সেল বা ট্রেনিং ব্যবস্থা ।
সর্বোপরি এখন পুলিশের জন্য নীতি নৈতিকতা শিক্ষা বড়ই প্রয়োজন ।
রাত-বিরাতে একজন পুরুষ যেখানে একা বের হতে যাওয়টা পৃথিবীর কোন স্থানেই শতভাগ নিরাপদ নয় । যেখানে দিন-দুপুরে ২-৮০ বছর বয়সী নারী ধর্ষনের মতো জঘন্য ঘটনার শিকার হয়, সেখানে একটি যুবতী মেয়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বর্তমানে কতখানি বিপজ্জনক তা অনুমেয় ।
এরপরও যারা এ ব্যপারে পুলিশকে দুষছেন তারা কতখানি চিন্তা করে লিখছেন সে প্রশ্ন এই অভাগা বাঙ্গালী জাতির কাছে প্রশ্ন রাখলাম ।
-খান ইসমাইল
ঢাকা।

0 facebook-blogger-disqus:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন